Startup-এ Computer Slow? Fast Boot করানোর উপায়

Startup-এ Computer Slow? Fast Boot করানোর উপায় - Windows ও Software সমাধান | BanglaTechInfo

ল্যাপটপ বা পিসি অন করার পর ডেস্কটপ দেখা পর্যন্তই কয়েক মিনিট লেগে যাচ্ছে? Computer startup slow হওয়ার এই সমস্যা সাধারণত পুরো কম্পিউটার স্লো হওয়া থেকে আলাদা — এখানে শুধু বুট হওয়ার সময়টাই লম্বা, আর এর পেছনে নির্দিষ্ট কিছু কারণ থাকে যা আলাদাভাবে ঠিক করতে হয়।

এই লেখায় শুধু startup বা boot time নিয়েই ফোকাস করা হয়েছে, যাতে দ্রুত বুট হওয়ার নির্দিষ্ট সমাধান পান।

Startup Slow হওয়ার কারণ

বুট টাইম বেশি লাগার সমস্যা নতুন কম্পিউটারেও দেখা যায়, শুধু পুরনো ডিভাইসে নয়। কারণগুলো জানা থাকলে ঠিক কোন জায়গায় হাত দিতে হবে তা সহজেই বোঝা যায়।

  • একসাথে অনেক অ্যাপ Windows চালু হওয়ার সাথে সাথে নিজে থেকে চালু হয়ে যাওয়া
  • Fast Startup ফিচার বন্ধ থাকা বা ঠিকমতো কাজ না করা
  • HDD ব্যবহার করা, যেখানে SSD-র তুলনায় ডেটা রিড স্পিড অনেক কম
  • ব্যাকগ্রাউন্ডে অপ্রয়োজনীয় Service চালু থাকা

দ্রুত Boot করানোর ধাপ

  1. Startup Apps বন্ধ করুন — Task Manager খুলে (Ctrl+Shift+Esc) Startup apps ট্যাবে যান, “Startup impact” কলাম দেখে High-impact অথচ জরুরি নয় এমন অ্যাপগুলো Disable করে দিন।
  2. Fast Startup চালু করুন — Control Panel > Power Options > Choose what the power buttons do-তে গিয়ে “Turn on fast startup” অপশন চেক করে এনাবল করুন; এটি বুট টাইম উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়।
  3. SSD-তে আপগ্রেড করুন — যদি এখনো HDD ব্যবহার করেন, একটি SSD (এমনকি ছোট ১২৮GB/২৫৬GB হলেও) লাগালে Windows বুট টাইম কয়েক গুণ কমে যায়, এটাই সবচেয়ে কার্যকর হার্ডওয়্যার আপগ্রেড।
  4. অপ্রয়োজনীয় Service বন্ধ করুন — Run বক্সে msconfig লিখে Services ট্যাবে গিয়ে “Hide all Microsoft services” চেক করুন, বাকি থার্ড-পার্টি সার্ভিস থেকে অপ্রয়োজনীয়গুলো Disable করুন।
  5. Startup Folder চেক করুন — Run বক্সে shell:startup লিখে Enter দিন, এখানে থাকা শর্টকাট থেকে অপ্রয়োজনীয়গুলো ডিলিট করুন।
  6. একবার Restart করুন — সবগুলো পরিবর্তনের পর কম্পিউটার restart করে বুট টাইম আগের চেয়ে কতটা কমেছে তা যাচাই করুন।

যা করবেন না

Windows-এর নিজস্ব সার্ভিস (যেমন Windows Update, Security) msconfig থেকে বন্ধ করবেন না, শুধু থার্ড-পার্টি সার্ভিসেই হাত দিন। কোন সার্ভিস কী কাজ করে না জেনে বন্ধ করলে অন্য সমস্যা তৈরি হতে পারে।

BIOS-এর Fast Boot সেটিং বদলানোর সময়ও সতর্ক থাকুন, ভুলবশত অন্য কোনো সেটিং বদলে গেলে কম্পিউটার বুটই না-ও হতে পারে। ঠিক কোন অপশন কী করে তা নিশ্চিত না হলে শুধু Fast Startup ও Task Manager-এর মতো নিরাপদ সেটিংসেই সীমাবদ্ধ থাকুন।

মনে রাখবেন, উপরের ধাপগুলো শুধু বুট বা startup time কমাতে সাহায্য করে; কম্পিউটার সার্বিকভাবে স্লো হয়ে গেলে (যেমন প্রোগ্রাম খুলতে দেরি, browsing স্লো) সেক্ষেত্রে আলাদা ব্যাপক সমাধান দরকার হতে পারে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

Fast Startup এনাবল করার পরও বুট টাইম না কমলে কী করব?

প্রথমে Task Manager-এর Startup apps ট্যাব চেক করে দেখুন কোনো High-impact অ্যাপ চালু আছে কি না। SSD না থাকলে সেটিও একটি বড় কারণ হতে পারে, কারণ HDD-তে বুট সবসময় তুলনামূলক ধীর হয়।

কোন অ্যাপ Startup থেকে বন্ধ করা নিরাপদ?

Antivirus বা Windows Security ছাড়া বাকি যেসব অ্যাপ প্রতিদিন কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথেই দরকার হয় না — যেমন Spotify, Skype, বা অপ্রয়োজনীয় ক্লাউড অ্যাপ — সেগুলো নিশ্চিন্তে Disable করা যায়।

Fast Startup বন্ধ করা কি কখনো দরকার হয়?

হ্যাঁ, কখনো কখনো ড্রাইভার আপডেটের পর বা ডুয়াল বুট সিস্টেমে Fast Startup সমস্যা তৈরি করতে পারে; সেক্ষেত্রে সাময়িকভাবে এটি বন্ধ করে দেখা ভালো। সাধারণ ব্যবহারে অবশ্য এটি চালু রাখাই ভালো ফল দেয়।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *