পুরাতন Laptop কেনা অনেকের জন্যই বাজেট বাঁচানোর একটা ভালো উপায়, কিন্তু সঠিক জ্ঞান ছাড়া কিনলে পরে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে। purano laptop kenar age কিছু বিষয় ভালোভাবে যাচাই না করলে দেখা যায় কেনার কয়েকদিন পরেই ব্যাটারি ড্রেইন, স্ক্রিনে দাগ বা হিটিং সমস্যা শুরু হয়ে যায়। তাই সেকেন্ড-হ্যান্ড মার্কেটপ্লেস, লোকাল শপ বা পরিচিত কারো কাছ থেকে ল্যাপটপ কেনার আগে একটা নির্দিষ্ট চেকলিস্ট মাথায় রাখা জরুরি। এই পোস্টে আমরা ধাপে ধাপে দেখাবো কেনার সময় কোন কোন জিনিস নিজে হাতে চেক করে নেওয়া উচিত।
কেনার আগে যা Check করবেন
- বডি ও হিঞ্জ চেক করুন — ল্যাপটপের বডিতে ফাটল, ডেন্ট বা লুজ হিঞ্জ আছে কিনা দেখুন। স্ক্রিন খোলা-বন্ধ করার সময় হিঞ্জ যদি ঢিলা বা কট কট শব্দ করে, তাহলে সেটা ভবিষ্যতে সমস্যা করবে।
- স্ক্রিন টেস্ট করুন — একটা সলিড কালার (সাদা, কালো, লাল) ব্যাকগ্রাউন্ড ওপেন করে Dead pixel, লাইন বা কালার ডিসকালারেশন আছে কিনা খেয়াল করুন। ব্রাইটনেস কমিয়ে-বাড়িয়ে দেখলে ব্যাকলাইট ব্লিডিং বুঝা যায়।
- কীবোর্ড ও টাচপ্যাড চেক করুন — Notepad খুলে প্রতিটা কী চেপে দেখুন সব ঠিকভাবে রেসপন্স করছে কিনা, এবং টাচপ্যাড স্মুথলি কার্সর মুভ ও ক্লিক করছে কিনা যাচাই করুন।
- ব্যাটারি হেলথ ও সাইকেল কাউন্ট দেখুন — Windows-এ built-in battery report (powercfg /batteryreport) বা থার্ড-পার্টি টুল দিয়ে ব্যাটারির Design Capacity বনাম Full Charge Capacity এবং সাইকেল কাউন্ট চেক করুন। হেলথ ৭০% এর নিচে থাকলে দাম নিয়ে আলোচনা করা উচিত।
- স্পেসিফিকেশন মিলিয়ে নিন — বিক্রেতার দেওয়া CPU, RAM ও Storage বিক্রেতার কথার সাথে মিলছে কিনা Task Manager বা System Information (msinfo32) থেকে ভেরিফাই করুন। অনেক সময় RAM বা SSD পরে চেঞ্জ করে কম কনফিগারেশন দেওয়া হয়।
- সব পোর্ট টেস্ট করুন — USB, HDMI, চার্জিং পোর্ট এবং হেডফোন জ্যাক আলাদাভাবে ডিভাইস কানেক্ট করে চেক করুন, কারণ পোর্ট ড্যামেজ থাকলে রিপ্লেস করতে অতিরিক্ত খরচ হবে।
- বেঞ্চমার্ক বা স্ট্রেস টেস্ট চালান — কেনার আগে অল্প সময়ের জন্য একটা হেভি অ্যাপ বা বেঞ্চমার্ক টুল চালিয়ে দেখুন ল্যাপটপ কতটা গরম হয় এবং থ্রটলিং শুরু হয় কিনা। বেশি হিট হলে কুলিং সিস্টেম বা থার্মাল পেস্টে সমস্যা থাকতে পারে।
- অরিজিনাল চার্জার আছে কিনা দেখুন — অরিজিনাল চার্জার না থাকলে কমপ্যাটিবল চার্জার কিনতে বাড়তি টাকা খরচ হয়, তাই এটা আগে থেকেই জিজ্ঞাসা করে নিন।
- Windows জেনুইন কিনা যাচাই করুন — Settings > System > Activation-এ গিয়ে দেখুন Windows অ্যাক্টিভেটেড ও জেনুইন লাইসেন্স আছে কিনা, নাহলে পরে নতুন লাইসেন্স কিনতে হতে পারে।
- ওয়ারেন্টি ও সার্ভিস হিস্টোরি জিজ্ঞাসা করুন — ল্যাপটপে এখনো কোনো ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টি বাকি আছে কিনা, আগে কোনো পার্টস চেঞ্জ বা সার্ভিসিং হয়েছে কিনা বিক্রেতাকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করুন এবং সম্ভব হলে রসিদ দেখতে চান।
- পানি বা লিকুইড ড্যামেজের চিহ্ন দেখুন — কীবোর্ডের নিচে, পোর্টের আশেপাশে বা ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টে মরিচা বা দাগ আছে কিনা খেয়াল করুন, কারণ এটা লিকুইড ড্যামেজের ইঙ্গিত দেয় যা ভবিষ্যতে মাদারবোর্ড ফেইলিউরের কারণ হতে পারে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
পুরাতন ল্যাপটপ কেনা কি আসলেই লাভজনক?
হ্যাঁ, বাজেট সীমিত থাকলে পুরাতন ল্যাপটপ কেনা একটা স্মার্ট অপশন হতে পারে, বিশেষ করে ব্র্যান্ড নিউ ল্যাপটপের তুলনায় অনেক কম দামে ভালো স্পেসিফিকেশনের ডিভাইস পাওয়া যায়। তবে এর জন্য উপরের চেকলিস্ট অনুযায়ী ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া জরুরি, নাহলে সাময়িক সাশ্রয় দীর্ঘমেয়াদে বেশি খরচের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
ব্যাটারি সাইকেল কাউন্ট কীভাবে চেক করবেন?
Windows ল্যাপটপে Command Prompt ওপেন করে powercfg /batteryreport কমান্ড রান করলে একটা HTML রিপোর্ট জেনারেট হয়, যেখানে ব্যাটারির Design Capacity, Full Charge Capacity ও ব্যবহারের হিস্টোরি দেখা যায়। এছাড়া BatteryInfoView বা HWiNFO-এর মতো থার্ড-পার্টি টুল দিয়েও সঠিক সাইকেল কাউন্ট জানা সম্ভব।
ল্যাপটপে সমস্যা পেলে দাম কমানোর জন্য কীভাবে negotiate করবেন?
চেকলিস্টে কোনো সমস্যা পেলে যেমন কম ব্যাটারি হেলথ, স্ক্রিনে দাগ বা পোর্ট ড্যামেজ, তা স্পষ্টভাবে বিক্রেতাকে দেখিয়ে দাম কমানোর কথা বলুন। রিপেয়ার বা পার্টস রিপ্লেসমেন্টের আনুমানিক খরচ হিসাব করে সেই পরিমাণ দাম থেকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দিলে ন্যায্য দামে ডিল করা সহজ হয়।
সমà§à¦ªà¦°à§à¦•িত পোসà§à¦Ÿ
We love to share our knowledge on current technologies. Our motto is ‘Do our best so that we can’t blame ourselves for anything“.
